সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ। সংগঠনটি নতুন পে-স্কেলকে স্বাধীনতার পর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘ঐতিহাসিক, অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও যুগোপযোগী’ বেতন কাঠামো হিসেবে অভিহিত করেছে।
সোমবার নতুন বেতন কাঠামো মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর দেওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি নুরুল ইসলাম এ কৃতজ্ঞতা জানান।
সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, অতীতে কোনো বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য এতো ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়নি।
বিশেষ করে নিম্নআয়ের সরকারি কর্মচারীদের প্রতি নতুন পে-স্কেলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন বেতন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে নিম্ন-আয়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নতুন কাঠামোয় প্রতিবন্ধী ভাতা ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, সব সরকারি কর্মচারীর জন্য মোবাইল ভাতা চালু এবং টিফিন ভাতা তিনগুণ করার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
নিম্ন-আয়ের কর্মচারীদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর বেতন কাঠামোর পরিবর্তন না হওয়ায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরকারি কর্মচারীদের পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও দাবির প্রতি যে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়।
তিনি বলেন, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়ার পাশাপাশি তাঁদের কর্মস্পৃহা, দায়িত্ববোধ ও জনসেবার মানসিকতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত দাবি পূরণ হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও কল্যাণ কামনা এবং তার সরকারের সমৃদ্ধি, সাফল্য ও দেশ পরিচালনায় উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেছে সংগঠনটি।


