spot_img
Homeজাতীয়তিন মাসের মধ্যে শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে:...

তিন মাসের মধ্যে শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা) ড. মাহদী আমিন বলেছেন, সরকার আগামী তিন মাসের মধ্যেই শিক্ষা কারিকুলামে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়া ভর্তি প্রক্রিয়ায় লটারি পদ্ধতি বাদ দিয়ে আবার পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সোমবার রাজধানীর গুলশানে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে শিক্ষা খাত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।মাহদী আমিন বলেন, এর আগে কোনো সরকার দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মধ্যে ইশতেহার বাস্তবায়নে এত দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারেনি। বর্তমান সরকার ২৮ কর্মদিবসের মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, খাল খননসহ ইশতেহারে উল্লিখিত সব বিষয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। শিক্ষা খাতেও একইভাবে দ্রুত অগ্রগতি হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের গুণগত মান বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হবে। শিক্ষা শুধু সনদ অর্জন নয়, বরং দক্ষ, নৈতিকতাসম্পন্ন ও কর্মক্ষম মানুষ গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

সভায় গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ‘বলা হয়েছে যে এডুকেশন এজ অ্যা পলিটিক্যাল অ্যাজেন্ডা। অবশ্যই রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা, তবে এটি যেন দলীয় অ্যাজেন্ডা না হয়। পার্টির অ্যাজেন্ডা না হয়। বিভিন্ন জায়গায় বলা হচ্ছে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতা কমানো হবে। আমরা তো সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ডরাই! সে জন্য বলছি সেখানে যেন রাজনৈতিক মনোনয়ন দেওয়া না হয়। আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২০১৭ সালে হাইকোর্টের একটি রিটের একটি রুলিং আপিল বিভাগ আপহোল্ড করেছেন। আদালত বলেছেন, ‘কোনো দলীয় কাউকে কোনো স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করা যাবে না। আপনারা যদি দেন আমি আবার আদালতে গিয়ে রিট করব। শিক্ষাকে রাজনীতিকরণ করতে দেওয়া যাবে না।’

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘গণমাধ্যমে বিভিন্ন খবর এসেছে। তবে সেগুলো এখনো বাস্তব না। আমরা এখানে একটি নীতি তৈরিতে কাজ করছি। ঈদের পর আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বসব। তারপর সিদ্ধান্ত হবে।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘কানেকটেড বিষয় না। দেখতে হবে তিনি দলীয় পদে আছেন কিনা।

- Advertisement -

spot_img
spot_img