সপ্তাহখানেক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনকে বলেছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে কোনো জাহাজ পাঠানোর দরকার নেই, কারণ তিনি ইতোমধ্যেই ইরান যুদ্ধ জিতেছেন।
এখন তিনি আমেরিকার ‘বিশেষ ঘনিষ্ঠ’ দেশ, ন্যাটো-সদস্য দেশগুলো, এমনকি চীনকেও আহ্বান জানাচ্ছেন জাহাজ পাঠাতে যাতে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া যায়। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, যদি সাহায্য না আসে, তাহলে ইউরোপের উপর মার্কিন নিরাপত্তার আশ্রয় এবং তার এই মাসের পরিকল্পিত চীনা নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকও বিপদে পড়তে পারে।
ফাইন্যানশিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের এই বক্তব্যে আবারও প্রমাণ মিলেছে যে, ইরানের বিপক্ষে তার একাধিক বিজযয়ের আভাস প্রদর্শন সত্ত্বেও, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি।
এটি এই শতাব্দীতে প্রথম কোনো মার্কিন সামরিক অভিযান নয় যা ওয়াশিংটনের আশা অনুযায়ী দীর্ঘায়িত হয়েছে। সম্ভবত এই কারণেই প্রশাসনের কর্মকর্তারা জনগণ এবং বৈশ্বিক বাজারকে আশ্বস্ত করার নতুন প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন যে, এই সংঘাত শিগগিরই শেষ হতে পারে।
জাতিসংঘের মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ সিএনএনের ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ প্রোগ্রামে জানাতে অস্বীকার করেছেন যে, মার্কিন সেনারা কখন দেশে ফিরবে। তবে তাদের আধুনিক মার্কিন সামরিক ইতিহাসে যে ধরনের প্রভাবশালী বিজয় তা দেখেননি বলে প্রশংসা করেছেন।
এদিকে এনার্জি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট আরও আশাবাদী। এবিসি নিউজের ‘দিস উইক’ প্রোগ্রামে তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি এই সংঘাত নিশ্চিতভাবে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে, হয়ত তার চেয়েও আগে হতে পারে।’
অন্যদিকে ইসরাইল সিএনএনকে জানিয়েছে যে, ইরানের সামরিক ও গোয়েন্দা লক্ষ্যবস্তুতে ভয়ঙ্কর বোমাবর্ষণ অন্তত আরও তিন সপ্তাহ চলতে পারে। ইহুদী রাষ্ট্র মার্কিন ভোটার ও নেতাদের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক কার্যক্রমে অভ্যস্ত।




